সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি প্রকাশ্য রাস্তায় এক তরুণীকে অত্যন্ত অশালীন ও আক্রমণাত্মক ভাষায় অপমান করছেন। শুধু ভাষাগত আক্রমণই নয়, তিনি তেড়ে গিয়ে শারীরিকভাবে আক্রমণের চেষ্টাও করেন বলে অভিযোগ।
ঘটনাটি দেখে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নেটিজেনরা। প্রশ্ন উঠেছে—কোনো মতবিরোধ বা অভিযোগ থাকলেও কি একজন মহিলার সঙ্গে এভাবে কথা বলা যায়? যদি ওই তরুণীর কোনো ভুল থেকেও থাকে, তা সভ্য ও ভদ্র উপায়ে জানানো যেত বলেই মত অনেকের।
চাঞ্চল্য আরও বাড়ে যখন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ প্রশাসনকেও প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করতে শোনা যায়। তাঁর ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ সমাজের বহু মানুষকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজের পরিবার ও সন্তানও রয়েছে—তবুও এমন আচরণ সমাজের কাছে প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছে।
পরবর্তীতে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের মুখে ওই ব্যক্তিকে তার আচরণের ফল ভোগ করতে হয়েছে বলে দাবি উঠেছে। যদিও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কখনই সমর্থনযোগ্য নয়—তবুও অনেকের মত, সমাজবিরোধী মানসিকতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিবাদ কখনও কখনও কঠোর বার্তা দেয়।
এই ঘটনায় সাহসিকতার সঙ্গে ভিডিও ধারণ করে সত্য সামনে তুলে ধরার জন্য ওই তরুণীকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন বহু মানুষ। কারণ, সমাজে লুকিয়ে থাকা এমন মানসিকতার মুখোশ খুলে দেওয়া আজ সময়ের দাবি।
? সমাজ তখনই নিরাপদ হয়, যখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ নীরব না থেকে প্রতিবাদে সরব হয়।